Category: NID Card

NID Card সংক্রান্ত সকল সমস্যার সমাধান এবং তথ্য পাবেন এই ক্যাটাগরিতে।

  • ছবি তোলার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায় জেনে নিন ২০২৬

    ছবি তোলার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায় জেনে নিন ২০২৬

    ভোটার নিবন্ধন করার পর ছবি তুলেছেন কিন্তু ছবি তোলার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায় জানেন না? এই পোস্টে থাকছে বিস্তারিত।

    নতুন ভোটার নিবন্ধন করার কিছুদিন পর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য দেয়ার জন্য ডাকা হয়ে থাকে। বায়োমেট্রিক তথ্য দেয়ার প্রায় এক মাস থেকে তিন মাস সময় লাগে এনআইডি কার্ড অনলাইনে আসতে।

    আপনি যদি ছবি তুলে থাকেন এবং বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়ে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি শেষ অব্দি পড়লে আপনার এনআইডি কার্ড কবে পাবেন, সেটি বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    ছবি তোলার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায়

    নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর ছবি তোলার জন্য ডাকা হয়। ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করার এক মাস থেকে তিন মাসের মাঝে এনআইডি কার্ড তৈরি হয়ে যায়। এই সময়ের মাঝে এনআইডি কার্ড তৈরি হলে নিবন্ধন করার সময় দেয়া নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হয়।

    যারা এসএমএস এর মাধ্যমে এনআইডি কার্ডের নাম্বার পেয়েছেন, তারা উক্ত নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন অনেক সহজেই।

    এছাড়া, যারা এসএমএস পাননি বা এসএমএস আসলেও সেটি দেখতে পারেননি, তারা ভোটার স্লিপ নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড চেক করে দেখতে পারেন আপনার আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা। তৈরি হলে এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করার পর আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

    ছবি তোলার কতদিন পর অনলাইন কপি পাওয়া যায়

    ভোটার নিবন্ধন করার পর ছবি তুলেছেন কিন্তু এখনো এনআইডি কার্ড হাতে পাননি? তাহলে ভোটার নিবন্ধন করার সময় ব্যবহৃত নাম্বারের ম্যাসেজ চেক করে দেখুন এনআইডি নাম্বার সহ ম্যাসেজ এসেছে কিনা। কারণ, আপনার এনআইডি কার্ড তৈরি হয়ে থাকলে এসএমএস এর মাধ্যমে আইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হবে।

    তবে, আপনি যদি এসএমএস না পেয়ে থাকেন, তাহলে ভোটার স্লিপের নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে আইডি কার্ড চেক করে দেখতে পারবেন। কিন্তু, আপনি যদি ভোটার স্লিপ হারিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি পোস্টটি পড়তে পারেন।

    তবে, আপনি ভোটার নিবন্ধনের জন্য কতদিন আগে ছবি তুলেছেন সেটি যাচাই করতে হবে। আপনার ছবি তোলার যদি এক মাস না হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অপেক্ষা করে দেখতে হবে। কারণ, অনেকসময় এনআইডি কার্ড অনলাইনে আসতে এক মাস থেকে তিন মাস অব্দি সময় লেগে যায়।

    তাই, আপনার ছবি তোলার যদি বেশিদিন না হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষা করলে এসএমএস পাবেন। অথবা এসএমএস না পেলে ফরম নাম্বার দিয়ে NID Card Download করতে পারবেন।

    এসএমএস এর মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড চেক

    আপনি যদি এসএমএস এর মাধ্যমে এনআইডি কার্ডের নাম্বার না পেয়ে থাকেন, তাহলে নিম্নোক্ত ফরম্যাট অনুসরণ করে একটি এসএমএস করলে ফিরতি ম্যাসেজে আপনার এনআইডি কার্ড তৈরি হয়ে থাকলে, এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হবে।

    NID 1234567899 02-05-2001 এভাবে লিখে সেন্ড করুন 105 নাম্বারে। ফিরতি ম্যাসেজে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হবে।

    অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড হয়েছে কিনা চেক

    ভোটার আইডি কার্ড হয়েছে কিনা অনলাইনে চেক করার জন্য services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। এরপর, রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন। প্রথম ঘরে NIDFN লিখে স্পেস না দিয়ে ভোটার স্লিপ নাম্বার লিখুন। জন্ম তারিখ লিখুন এবং ক্যাপচা পুরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

    যদি পপআপ আসে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার এনআইডি কার্ড তৈরি হয়েছে। বহাল বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপগুলো পূরণ করলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

    সারকথা

    ছবি তোলার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায় এই বিষয়ে এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যারা এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন এবং ছবি তুলেছেন, কিন্তু এখনো আইডি কার্ড হাতে পাননি, তারা পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনার কার্ডটি কবে পাবেন সেটি জানতে পারবেন।

  • গণভোট ২০২৬: হ্যাঁ না ভোট কি এবং সংবিধানে যেসব বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে

    গণভোট ২০২৬: হ্যাঁ না ভোট কি এবং সংবিধানে যেসব বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে। এই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে একটি ঐতিহাসিক গণভোট। সাধারণ মানুষের মনে এখন বড় প্রশ্ন হলো হ্যাঁ না ভোট কি এবং কেন এই ভোটের আয়োজন করা হয়েছে? সহজ কথায়, গণভোট হলো রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি জনগণের মতামত গ্রহণ করা। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ‘জুলাই সনদ’ নামে একটি সংস্কার প্রস্তাবনা তৈরি করেছে, যেখানে সংবিধানের ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ভোটাররা ব্যালটে দেওয়া নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিয়ে জানাবেন যে তারা এই সংস্কারগুলোর পক্ষে নাকি বিপক্ষে।

    অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এই গণভোটকে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার সোপান হিসেবে অভিহিত করেছে। যদি এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়, তবে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক কাঠামো থেকে শুরু করে শাসনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। আর যদি ‘না’ জয়ী হয়, তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকবে না। এই আর্টিকেলে আমরা হ্যাঁ না ভোট কি তার গভীর বিশ্লেষণসহ সংবিধানে সম্ভাব্য সকল পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করব।

    জুলাই সনদ এবং গণভোটের প্রেক্ষাপট

    ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর দেশ সংস্কারের যে দাবি উঠেছিল, তাকে একটি আইনি ও সাংবিধানিক রূপ দিতেই এই ‘জুলাই সনদ’ তৈরি করা হয়েছে। সংস্কার কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছে। এর মধ্যে ৪৭টি প্রস্তাব সরাসরি সংবিধান সংশোধনের সাথে যুক্ত এবং বাকি ৩৭টি সাধারণ আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য। যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ছিল, তাই সরকার সরাসরি জনগণের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হ্যাঁ না ভোট কি তা বুঝতে হলে এই ৮৪টি প্রস্তাবের গুরুত্ব বোঝা জরুরি।

    ভাষা, জাতি ও পরিচয়গত পরিবর্তন

    বিদ্যমান সংবিধানে জাতীয় পরিচয় এবং ভাষার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী এই জায়গাগুলোতে বড় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে:

    • রাষ্ট্রভাষা ও মাতৃভাষা: বর্তমান সংবিধানে কেবল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা বলা হলেও অন্য ভাষার স্বীকৃতি নেই। নতুন প্রস্তাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা রেখে অন্য সব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষাকেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
    • জাতীয় পরিচয়: বাংলাদেশের নাগরিকরা এতদিন ‘বাঙালি জাতি’ হিসেবে পরিচিত হলেও সংস্কারের পর তাদের পরিচয় হবে ‘বাংলাদেশি’। এটি একটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    • মূলনীতি: বর্তমান সংবিধানের মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ। তবে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের পর মূলনীতি হবে— সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সম্প্রীতি।

    রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য

    বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে একক ক্ষমতা থাকার বিষয়টি নিয়ে সবসময়ই সমালোচনা হয়েছে। হ্যাঁ না ভোট কি তা বোঝার ক্ষেত্রে ক্ষমতার এই ভারসাম্য পরিবর্তন অন্যতম প্রধান পয়েন্ট।

    ১. প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমাবদ্ধতা: বর্তমানে একজন ব্যক্তি কতবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন তার কোনো সীমা নেই। জুলাই সনদে বলা হয়েছে, এক ব্যক্তি তার জীবনে ১০ বছরের বেশি বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

    ২. রাষ্ট্রপতির নিয়োগ ক্ষমতা: বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতি প্রায় প্রতিটি কাজে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে বাধ্য থাকেন। নতুন নিয়মে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন এবং আইন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রধানদের নিয়োগ দিতে পারবেন।

    ৩. জরুরি অবস্থা জারি: আগে কেবল প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরে জরুরি অবস্থা জারি করা যেত। নতুন নিয়মে মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং বিরোধী দলীয় নেতার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    সংসদ ও নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে বাংলাদেশের সংসদীয় কাঠামোতে অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে। এতদিন বাংলাদেশ এক কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের দেশ হলেও এখন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    • উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ: সংসদে একটি উচ্চকক্ষ থাকবে যার সদস্য সংখ্যা হবে ১০০। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যে অনুপাতে ভোট পাবে, সেই আনুপাতিক হারেই উচ্চকক্ষে আসন বণ্টন করা হবে।
    • নারীদের সংরক্ষিত আসন: বর্তমানে সংসদে নারীদের ৫০টি সংরক্ষিত আসন থাকলেও তা ১০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
    • এমপিদের স্বাধীন ভোটদান: বর্তমান ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এমপিরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে পদ হারান। নতুন প্রস্তাবে বাজেট ও আস্থা বিল ছাড়া অন্য সব বিষয়ে এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে।
    • তত্ত্বাবধায়ক সরকার: সংবিধানে স্থায়ীভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ কাঠামোর অধীনে হয়।

    বিচার বিভাগ ও আইন ব্যবস্থা সংস্কার

    বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে বেশ কিছু কঠোর পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

    ১. বিচারক নিয়োগ কমিশন: হাইকোর্টের বিচারক নিয়োগ আগে প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এখন তা প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন একটি স্বাধীন কমিশনের হাতে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    ২. ন্যায়পাল নিয়োগ: সংবিধানে থাকলেও দীর্ঘকাল যাবৎ ন্যায়পাল নিয়োগ হয়নি। এবার স্পিকারের সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে ন্যায়পাল নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ৩. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল: উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণ বা তদারকির জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।

    বর্তমান বনাম প্রস্তাবিত সংবিধান: একনজরে পার্থক্য

    বিষয়বর্তমান সংবিধানপ্রস্তাবিত জুলাই সনদ (হ্যাঁ জয়ী হলে)
    প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদনির্দিষ্ট নয়সর্বোচ্চ ১০ বছর (২ মেয়াদ)
    সংসদীয় কাঠামোএক কক্ষ বিশিষ্টদ্বিকক্ষ বিশিষ্ট (উচ্চকক্ষ ১০০ আসন)
    জাতীয় পরিচয়বাঙালিবাংলাদেশি
    নির্বাচনকালীন সরকারদলীয় সরকারনিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার
    মৌলিক অধিকার২২টিইন্টারনেট ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা যুক্ত হবে
    স্পিকার/ডেপুটি স্পিকারউভয়ই সরকারি দল থেকেডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে

    গণভোটের চারটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন

    ভোটাররা ব্যালট পেপারে বড় ৮৪টি প্রস্তাব পাবেন না। সেখানে মাত্র চারটি পয়েন্ট থাকবে যার ওপর ভিত্তি করে তাদের রায় দিতে হবে। মূলত এই চারটি পয়েন্টের মাধ্যমে পুরো জুলাই সনদকে সমর্থন জানানো হবে। এই সংক্ষিপ্ত পয়েন্টগুলোর কারণেই সাধারণ মানুষের জানা দরকার হ্যাঁ না ভোট কি এবং এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব কী।

    আইন ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার (৩৭টি বিষয়)

    সংবিধানের ৪৭টি সংস্কারের পাশাপাশি আরও ৩৭টি বিষয় আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

    • কুমিল্লা ও ফরিদপুর নামে নতুন দুটি প্রশাসনিক বিভাগ গঠন।
    • একটি স্বাধীন ও স্থায়ী জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন।
    • বিচারক ও সরকারি কর্মচারীদের সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।
    • স্বতন্ত্র ফৌজদারি তদন্ত সার্ভিস গঠন।

    প্রশ্ন-উত্তর সেকশন (FAQs)

    u003cstrongu003e হ্যাঁ না ভোট কি এবং কেন এটি ১২ই ফেব্রুয়ারি হচ্ছে?u003c/strongu003e

    এটি একটি গণভোট যেখানে ভোটাররা সংবিধানের আমূল সংস্কারের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেবেন। নির্বাচনের দিনেই এটি আয়োজন করা হয়েছে যাতে খরচ এবং সময় সাশ্রয় হয় এবং সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত হয়।

    u003cstrongu003e গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে কী হবে?u003c/strongu003e

    যদি ‘না’ জয়ী হয়, তবে সরকার প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে আইনত বাধ্য থাকবে না। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হবে এবং নতুন সংসদ তাদের সিদ্ধান্ত নেবে।

    u003cstrongu003eএকজন ব্যক্তি কি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন?u003c/strongu003e

    জুলাই সনদ কার্যকর হলে কোনো ব্যক্তি জীবনে দুইবারের বেশি বা ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

    u003cstrongu003eউচ্চকক্ষ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?u003c/strongu003e

    এটি সংসদের দ্বিতীয় স্তর। যেখানে মূলত বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে আসবেন, যা সংসদের ভারসাম্য রক্ষা করবে।

    শেষ কথা

    পরিশেষে বলা যায়, ২০২৬ সালের এই গণভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে। হ্যাঁ না ভোট কি তা সঠিকভাবে জানা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব। জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ১২ই ফেব্রুয়ারি জনগণের রায়ের ওপর। ভোটারদের রায় যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আমরা একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ এবং ক্ষমতার ভারসাম্যপূর্ণ নতুন এক বাংলাদেশের সাক্ষী হতে যাচ্ছি।

  • NID ফরম নাম্বার ভুল দেখালে করণীয় কী জেনে নিন ২০২৬

    NID ফরম নাম্বার ভুল দেখালে করণীয় কী জেনে নিন ২০২৬

    NID ফরম নাম্বার ভুল দেখাচ্ছে? করণীয় কি জানেন না? বিস্তারিত সমাধান জানতে পারবেন এই পোস্টে।

    এনআইডি কার্ড চেক করতে বা ডাউনলোড করতে গেলে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করার সময় এনআইডি কার্ডের নাম্বার বা ফরম নাম্বার লিখতে হয়। যারা এনআইডি নাম্বার পাননি, তারা ফরম নাম্বার ব্যবহার করে আইডি কার্ড সংক্রান্ত সেবা নিতে পারবেন।

    তবে, অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করার সময় যদি ফরম নাম্বার ভুল দেখায়, সেক্ষেত্রে কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে, জানতে হলে শেষ অব্দি পড়তে হবে।

    NID ফরম নাম্বার ভুল দেখালে করণীয় কী

    NID ফরম নাম্বার লেখার সময় শুরুতে NIDFN লিখতে হবে। যদি, শুধু ফরম নাম্বার লেখেন, সেক্ষেত্রে ফরম নাম্বার ভুল বা অপ্রত্যাশিত সমস্যার জন্য দুঃখিত সমস্যাটি দেখাবে। তাই, NIDFN লিখতে হবে।

    এছাড়া, NIDFN লেখার পর কোনো ফাঁকা রাখা যাবেনা। NIDFN লিখে ফাঁকা রেখে ফরম নাম্বার লেখা হলে একই সমস্যা দেখা দিবে। তাই, NIDFN লিখে ফাঁকা না রেখেই ফরম নাম্বার লিখুন। উদাহরণ – NIDFN456733548

    এভাবে ফরম নাম্বার লিখলে ফরম নাম্বার ভুল দিয়েছেন সমস্যাটি দেখাবেনা। তবে, ফরম নাম্বার ঠিক থাকলেও জন্ম তারিখ ভুল দিলে অনেক সময় এই সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। তাই, আপনার ভোটার নিবন্ধনের সময় যে জন্ম তারিখ দিয়েছিলেন, সেটি লিখতে হবে।

    ভোটার স্লিপ নাম্বার ভুল দেখালে করণীয়

    ভোটার স্লিপ নাম্বার ভুল দেখালে ভোটার স্লিপ নাম্বার লেখার আগে NIDFN লিখতে হবে। NIDFN লিখে কোনো ফাঁকা না রেখে ভোটার স্লিপ নাম্বার লিখতে হবে। উদাহরণ – NIDFN124556789 এভাবে লিখতে হবে। যদি ফাঁকা রাখেন, তাহলে ভোটার স্লিপ নাম্বার ভুল সমস্যাটি দেখা দিবে।

    এছাড়া, জন্ম তারিখের ফরম্যাট এবং জন্ম তারিখ ঠিকভাবে লিখতে হবে। জন্ম তারিখ লেখার সময় দিন-মাস-বছর এই ফরম্যাটে লিখতে হবে। আপনার জন্ম তারিখ বা মাস যদি এক থেকে নয় এর মাঝে হয়, সেক্ষেত্রে শুরুতে ০ (শূন্য) লিখতে হবে। মনে করুন আপনার জন্ম তারিখ ২ মার্চ, ২০০২ । সেক্ষেত্রে, 02-03-2002 এভাবে জন্ম তারিখ লিখতে হবে।

    ভোটার স্লিপ নাম্বার লেখার শুরুতে NIDFN লিখতে হবে। মাঝে কোনো ফাঁকা রাখা যাবেনা। জন্ম তারিখ সঠিক ফরম্যাটে লিখতে হবে। জন্ম তারিখ সঠিক লিখতে হবে এবং ক্যাপচা কোডটি সঠিকভাবে লিখতে হবে। তাহলে ভোটার স্লিপ নাম্বার ভুল সমস্যাটি দেখাবেনা।

    সারকথা

    এনআইডি ফরম নাম্বার ভুল দেখালে করণীয় কী এবং কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে। যারা ফরম নাম্বার বা জন্ম তারিখ ভুল এই সমস্যায় পড়েছেন, তারা পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে সমস্যাটি সমাধান করতে পারবেন।

  • নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে জানুন ২০২৬

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে জানুন ২০২৬

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে হলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র লাগে। নতুন ভোটার আবেদন করতে কি কি লাগে বিস্তারিত জানতে পারবেন এখানে।

    নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটার নিবন্ধন নেয়া শুরু হলে বা অনলাইনে ভোটার নিবন্ধন করতে গেলে বেশ কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হয়। গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রগুলো ছাড়া ভোটার আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, কোনো কাগজপত্র মিসিং থাকলে আপনার আবেদনটি অনুমোদন করা হবেনা।

    তাই, নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করার পূর্বে কি কি কাগজপত্র লাগবে তা জেনে নেয়া আবশ্যক। চলুন, বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে

    নতুন ভোটার নিবন্ধন করার সময় জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার ভোটার আইডি কার্ড, নাগরিক সনদপত্র, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট, ইউটিলিটি বিলের কপি, পরীক্ষার সনদপত্র এবং বাসা-বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ সহ বেশ কিছু ডকুমেন্ট লেগে থাকে।

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে গেলে যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় সেগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা নিচে উল্লেখ করে দেয়া হল —

    1. জন্ম নিবন্ধন সনদ
    2. হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ
    3. ইউটিলিটি বিলের কপি
    4. রক্তের গ্রুপ টেস্টের রিপোর্ট
    5. পরীক্ষার সনদ পত্র
    6. স্বামী/স্ত্রীর এনআইডির তথ্য
    7. পিতা-মাতার এনআইডির তথ্য
    8. নাগরিক সনদপত্র

    ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করার সময় এসব ডকুমেন্ট সাথে রাখতে হবে। যদি সরাসরি আবেদন করেন, তাহলে ডকুমেন্টগুলো ফটোকপি করে নিতে হবে। তবে, অনলাইনে আবেদন করলে ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে কপিগুলো আপলোড করতে হবে।

    নতুন ভোটার হতে কত টাকা লাগে

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে কোনো টাকা লাগেনা। তবে, গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টগুলো সাবমিট করার সময় ফটোকপি করতে কিংবা স্ক্যান করতে টাকা লাগবে। এছাড়া, আপনার কাছে যদি কোনো ডকুমেন্ট মিসিং থাকে, তাহলে সেগুলো সংগ্রহ করতে আলাদা করে টাকা প্রয়োজন হবে।

    নতুন ভোটার হতে কতদিন সময় লাগে

    ভোটার হওয়ার জন্য নিবন্ধন করার পর প্রায় এক মাস বা তার কিছু কম সময় লেগে থাকে ছবি তোলার জন্য ডাকতে। অর্থাৎ, ভোটার হওয়ার জন্য সরাসরি আবেদন করলে কিংবা অনলাইনে আবেদন করলে আবেদনটি যাচাই করার পর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করার জন্য ডাকা হয়।

    ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করার প্রায় এক মাস থেকে তিন মাস সময়ের মাঝে এনআইডি কার্ড তৈরি হয়ে যায়। এনআইডি কার্ড তৈরি হলে নিবন্ধনের সময় দেয়া নাম্বারে এসএমএস করে এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হয়।

    শেষ কথা

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে, কত টাকা লাগে এবং কতদিন সময় লাগে এসব বিষয় শেয়ার করেছি এই পোস্টে। যারা এখনো ভোটার আবেদন করেননি, কিন্তু ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য বয়স হয়েছে, তারা ভোটার আবেদন করতে পারবেন এখন।

    নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটার আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। তাই, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করুন।

  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে বিস্তারিত ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে বিস্তারিত ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চাচ্ছেন? কিন্তু সংশোধন আবেদন করার পর কতদিন সময় লাগে আবেদন অনুমোদন হতে জানেন না? এই পোস্টে থাকছে বিস্তারিত তথ্য।

    ভোটার আইডি কার্ডে থাকা ভুল তথ্য সংশোধন করার প্রয়োজন পড়ে অনেক সময়। তথ্য ভুল থাকলে চাকরি বা পরীক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তাই, ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে সংশোধন আবেদন করতে হয়। আবেদন করার সময় ক্যাটাগরিভেদে সময় লেগে থাকে।

    তো চলুন, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার পর আবেদন অনুমোদন হতে কতদিন সময় লাগে এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগে

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার পর আবেদনের ভিত্তিতে আবেদনটিকে ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। “ক ক্যাটাগরির” সংশোধন আবেদন অনুমোদন হতে ৭ দিন সময় লাগে। “খ ক্যাটাগরির” আবেদন অনুমোদন হতে ১৫ দিন সময় লাগে। “গ ক্যাটাগরির” আবেদন অনুমোদন হতে ৩০ দিন সময় লাগে এবং “ঘ” ক্যাটাগরির আবেদন অনুমোদন হতে ৪৫ দিন সময় লাগে।

    অর্থাৎ, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার পর কি ধরনের তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে আবেদনগুলোকে ক্যাটাগরিভেদে ভাগ করা হয়। এরপর, সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিকট আবেদনটি প্রেরণ করা হয়।

    উক্ত অফিসার আবেদনে থাকা সকল তথ্য যাচাই-বাছাই করার পর আবেদন অনুমোদন দেয়। এই প্রসেস সম্পন্ন হতে ক্যাটাগরিভেদে সময় লাগে।

    সংশোধনের ক্যাটাগরিকতদিন সময় লাগে
    ক ক্যাটাগরি৭ দিন
    খ ক্যাটাগরি১৫ দিন
    গ ক্যাটাগরি৩০ দিন
    ঘ ক্যাটাগরি৪৫ দিন

    ক্যাটাগরিভেদে সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে, উল্লিখিত সময়ের পূর্বে অনেক সময় আবেদন অনুমোদন হয়ে থাকে। এজন্য, সংশোধন আবেদন করার সময় সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

    “ক” ক্যাটাগরির আবেদন

    “ক” ক্যাটাগরির আবেদন অনুমোদন হতে সাধারণত ৭ দিন সময় লেগে থাকে। এই ক্যাটাগরিতে খুব সামান্য ভুল তথ্য সংশোধন করতে হয়। তাই, আবেদনটি যাচাই-বাছাই করার জন্য বেশি সময় প্রয়োজন হয়না। এজন্য, আবেদনগুলো দ্রুত অনুমোদন পায়।

    ভোটার আইডি কার্ডের যেসব তথ্য সংশোধনের আবেদনের ক্ষেত্রে “ক” ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় সেগুলো হচ্ছে —

    1. জন্ম তারিখ সংশোধন (সর্বোচ্চ ৩ বছর)
    2. মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন
    3. নামের বানান সংশোধন
    4. রক্তের গ্রুপ সংশোধন
    5. লিঙ্গ পরিবর্তন
    6. নামের আংশিক পরিবর্তন
    7. বৈবাহিক অবস্থা সংশোধন
    8. বাংলা ও ইংরেজি নাম মিলকরণ
    9. ঠিকানা সংশোধন

    “খ” ক্যাটাগরির আবেদন

    “খ” ক্যাটাগরির আবেদন অনুমোদন হতে সাধারণত ১৫ দিন সময় লেগে থাকে। তবে, সঠিক ডকুমেন্ট সাবমিট করা হলে এই আবেদন আরও দ্রুত অনুমোদন পেয়ে থাকে। যেসব তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করলে “খ” ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়, সেগুলো হচ্ছে —

    1. জন্ম তারিখ সংশোধন
    2. ছবি, স্বাক্ষর, আঙ্গুলের ছাপ, আইরিশ আপডেট
    3. স্বামী বা স্ত্রীর নাম সংযোজন/বিয়োজন
    4. ধর্ম পরিবর্তন
    5. অসমর্থতা/প্রতিবন্ধীতা

    “গ” ক্যাটাগরির আবেদন

    “গ” ক্যাটাগরির আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ দিন সময় লেগে থাকে আবেদন অনুমোদন হতে। এই ক্যাটাগরিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধন করা হয়। এজন্য, যাচাই-বাছাই করতে সময় লাগে বেশি।

    যেসব তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করলে “গ” ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় সেগুলো নিম্নরূপ –

    1. সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন (বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্রের ভিত্তিতে)
    2. জন্ম তারিখ সংশোধন – ৫ বছরের বেশি (সরকারি অনুদানের ক্ষেত্র ব্যতীত।)

    “ঘ” ক্যাটাগরির আবেদন

    “ঘ” ক্যাটাগরির সংশোধন আবেদন অনুমোদন হতে সাধারণত ৪৫ দিন সময় লেগে থাকে। তবে, সংশোধন আবেদন করার সময় যথাযথ ডকুমেন্ট সাবমিট করা হলে তা আরও দ্রুত অনুমোদন হয়ে থাকে। যেসব তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করলে “ঘ” ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় সেগুলো হচ্ছে —

    1. জন্ম তারিখ সংশোধন — (বিভিন্ন সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রে)
    2. সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন (বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র ছাড়া অন্য কাগজপত্রের ভিত্তিতে)

    শেষ কথা

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে তা বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে। যারা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চাচ্ছেন বা সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু কবে আবেদন অনুমোদন হবে জানেন না, তারা পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে জানতে পারবেন।

  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে জানুন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে জানুন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধন করতে চাচ্ছেন? কিন্তু এনআইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করতে কত টাকা লাগে জানেন না? বিস্তারিত থাকছে এই পোস্টে।

    ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ভুল হলে সংশোধন করার জন্য আবেদন করতে হয়। কিন্তু, ইউনিয়ন পরিষদ বা অন্য কোনো জায়গায় সংশোধন আবেদন করতে গেলে কিছু অসাধু মানুষ বেশি টাকা চেয়ে বসে। তাই, সংশোধন আবেদন করতে কত টাকা লাগে তা জানা আবশ্যক।

    তো চলুন, ভোটার আইডি কার্ডের কোন তথ্য সংশোধন করতে কত টাকা লাগে তা বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার ক্ষেত্রে তিন ধরনের আবেদন করা যায়। ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন করতে ২৩০ টাকা এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধন করতে ১১৫ টাকা লাগে। তবে, ব্যক্তিগত এবং অন্যান্য তথ্য একইসাথে সংশোধনের আবেদন করতে ৩৪৫ টাকা লাগে।

    অর্থাৎ, আপনি যদি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন করার জন্য আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা ফি এবং ৩০ টাকা ভ্যাট সহ মোট ২৩০ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। অন্যান্য তথ্য সংশোধন করতে ১০০ টাকা ফি এবং ১৫ টাকা ভ্যাট সহ মোট ১১৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। অপরদিকে, ব্যক্তিগত তথ্য এবং অন্যান্য তথ্য একইসাথে সংশোধন করতে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে।

    ভোটার আইডি কার্ডের ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন

    ভোটার আইডি কার্ডের ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন করার জন্য ২৩০ টাকা ফি জমা দিতে হয়। বিকাশ, নগদ বা অন্য মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দিতে পারবেন। যেসব তথ্য সংশোধন করার জন্য ২৩০ টাকা ফি জমা দিতে হয় সেগুলো হচ্ছে –

    1. নিজের নাম বা নামের ইংরেজি বানান
    2. ভোটার আইডি কার্ডের ছবি সংশোধন
    3. পিতা-মাতার নাম বা নামের ইংরেজি বানান
    4. স্বাক্ষর সংশোধন
    5. ঠিকানা সংশোধন

    বিকাশ বা নগদ অ্যাপে ঢুকে পে বিল অপশনে গিয়ে NID Service সিলেক্ট করুন। এরপর, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সিলেক্ট করে আপনার এনআইডি নাম্বার লিখে ফি পরিশোধ করুন।

    ভোটার আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য সংশোধন

    ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংশোধন করার জন্য ১১৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়। মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে এই ফি পরিশোধ করতে পারবেন। যেসব তথ্য সংশোধন করার জন্য ১১৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয় সেগুলো নিম্নরূপ —

    1. ব্যক্তির ধর্ম
    2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
    3. স্বামী/স্ত্রীর নাম
    4. পেশা
    5. মোবাইল নাম্বার
    6. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তথ্য
    7. পাসপোর্ট নাম্বার

    বিকাশ বা নগদ দিয়ে ফি পরিশোধ করার সময় অন্যান্য তথ্য সংশোধন অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে। এরপর, ১১৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধ করার পর সংশোধন আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ফি পরিশোধ করার আগে সংশোধন আবেদন সম্পন্ন করা যাবেনা।

    ব্যক্তিগত এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধন

    ভোটার আইডি কার্ডের ব্যক্তিগত তথ্য এবং অন্যান্য তথ্য যদি ভুল থাকে এবং একইসাথে সংশোধনের জন্য আবেদন করেন, তাহলে ৩৪৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। সেক্ষেত্রে, পে বিল অপশন থেকে NID Service অপশনটি সিলেক্ট করে ব্যক্তিগত এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধন সিলেক্ট করে ফি পরিশোধ করতে হবে।

    আপনার ভোটার আইডি কার্ডের কোন তথ্য ভুল আছে এবং তা সংশোধন করতে চান তা আগে নির্ধারণ করুন। এরপর, উক্ত তথ্য সংশোধন করতে কত টাকা লাগবে তা যাচাই করুন পোস্টে উল্লেখ করে দেয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে। এরপর, ফি পরিশোধ করুন এনআইডি নাম্বার দিয়ে। অতঃপর, সংশোধন আবেদন করুন যথাযথ কাগজপত্র দিয়ে।

    শেষ কথা

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে তা বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে। যারা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চাচ্ছেন, কিন্তু কত টাকা ফি লাগে জানেন না। তারা পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে সংশোধন ফি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

  • স্মার্ট কার্ড কখন ও কিভাবে পাবেন বিস্তারিত জেনে নিন ২০২৬

    স্মার্ট কার্ড কখন ও কিভাবে পাবেন বিস্তারিত জেনে নিন ২০২৬

    অনেক আগে ভোটার হওয়ার পরেও এখনো স্মার্ট কার্ড পাননি? স্মার্ট কার্ড কবে পাবেন এবং স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন এসব বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে।

    বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য স্মার্ট এনআইডি কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উক্ত স্মার্ট কার্ডে ব্যক্তির সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। নির্বাচন কমিশন থেকে এক কোটির বেশি মানুষকে ইতোমধ্যে স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে, এখনো সকল ভোটার তাদের স্মার্ট আইডি কার্ড পাননি।

    তাই, যারা ভোটার হওয়ার পরেও এখনো স্মার্ট কার্ড পাননি, তারা কিভাবে এবং কবে স্মার্ট কার্ড পাবেন বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন আজকের এই পোস্টে।

    স্মার্ট কার্ড কবে পাবেন

    নির্বাচন কমিশন থেকে যেসব ভোটার এখনো স্মার্ট কার্ড পায়নি, তাদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। আপনি যদি অনেক আগে ভোটার হওয়ার পরেও এখনো স্মার্ট আইডি কার্ড না পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা জানার জন্য স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস চেক করুন।

    স্মার্ট কার্ড চেক করার মাধ্যমে আপনার স্মার্ট কার্ডটি তৈরি হয়েছে কিনা জানতে পারবেন। এছাড়া, স্মার্ট কার্ড তৈরি হলে কার্ড বিতরণ কেন্দ্রের নাম, কবে বিতরণ করা হবে এসব তথ্য জানতে পারবেন।

    যদি স্মার্ট কার্ড তৈরি না হয়ে থাকে, তাহলে সেটিও জানতে পারবেন। সেক্ষেত্রে, অপেক্ষা করতে হবে স্মার্ট কার্ড পাওয়ার জন্য।

    স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক

    স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক করার জন্য https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/card-status ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / ফর্ম নম্বর লিখুন এবং জন্ম তারিখ লিখুন। ক্যাপচা কোডটি ফাঁকা ঘরে লিখে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

    এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস জানতে পারবেন। এছাড়া, আপনি চাইলে এসএমএস এর মাধ্যমেও আপনার স্মার্ট আইডি কার্ডের স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। এজন্য, নিম্নোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

    • এসএমএস এর মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড চেক করতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে যান
    • SC NID xxxxxxxxxxxxx এই ফরম্যাটে একটি এসএমএস লিখুন এবং 105 নাম্বারে সেন্ড করুন
    • উদাহরণ – SC NID 46737487383 এবং সেন্ড করুন 105 নাম্বারে
    • ফিরতি ম্যাসেজে আপনার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা জানিয়ে দেয়া হবে

    এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনার Smart NID Card Status চেক করতে পারবেন।

    স্মার্ট আইডি কার্ড পেতে করণীয়

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড পেতে চাইলে আগে আপনার স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক করে দেখতে হবে। উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে যদি দেখেন আপনার স্মার্ট আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে, তাহলে ইউনিয়ন পরিষদ বা বিতরণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

    তবে, যদি স্মার্ট কার্ড তৈরি না হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে, আপনাকে অপেক্ষা করে থাকতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ এবং সিটি কর্পোরেশন ভিত্তিক স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। আপনার এলাকায় Smart Card বিতরণ শুরু হলে সেখানে থেকে আপনার কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

    নতুন ভোটাররা স্মার্ট কার্ড কবে পাবে

    যারা নতুন ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো স্মার্ট কার্ড পাননি, তাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, নতুন ভোটারদেরকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা শুরু হয়নি। আপনারা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে সেটি প্রিন্ট এবং লেমিনেটিং করে ব্যবহার করতে পারবেন।

    তবে, স্মার্ট কার্ড এখনই পাবেন না। এজন্য, অপেক্ষা করতে হবে। সবাইকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা শুরু হলে তবেই সংগ্রহ করতে পারবেন।

    শেষ কথা

    স্মার্ট কার্ড কবে এবং কিভাবে পাবেন বিস্তারিত শেয়ার করেছি এখানে। যারা এখনো স্মার্ট আইডি কার্ড পাননি, তারা পোস্টটি পড়লে স্মার্ট এনআইডি কার্ডের সর্বশেষ আপডেট জানতে পারবেন।

  • ভোটার আইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ডের মেয়াদ কতদিন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ডের মেয়াদ কতদিন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ডের মেয়াদ কতদিন জানেন? অনেক জায়গায় হয়তো দেখে থাকবেন ভোটার আইডি কার্ডের মেয়াদ আছে। তবে কতদিন? বিস্তারিত জানবো এই পোস্টে।

    বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ভোটার আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়। নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে সেটি ব্যবহার করা যায়। এছাড়া, পুরাতন ভোটারদেরকে স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়ে থাকে।

    তবে, ভোটার আইডি কার্ড বা স্মার্ট আইডি কার্ডের মেয়াদ কতদিন তা অনেকেই জানে না। চলুন, এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    ভোটার আইডি কার্ডের মেয়াদ কতদিন

    ভোটার আইডি কার্ডের কোনো মেয়াদ নেই। ভোটার আইডি কার্ড বিতরণ করার পর ব্যক্তি জীবিত থাকা পর্যন্ত উক্ত আইডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবে। যেহেতু এই কার্ডের কোনো মেয়াদ নেই, তাই এটি রিনিউ করার প্রয়োজন পড়েনা। অর্থাৎ, পাসপোর্ট রিনিউ করার মতো করে ভোটার আইডি কার্ড রিনিউ করতে হয়না।

    অনেক জায়গায় হয়তো দেখে থাকবেন যে, ভোটার আইডি কার্ডের মেয়াদ ১৫ বছর। যা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। ভোটার আইডি কার্ডের কোনো মেয়াদ নেই। অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা ভোটার আইডি কার্ড কিংবা নির্বাচন কমিশন থেকে বিতরণ করা আইডি কার্ডের কোনো মেয়াদ নেই।

    একজন ব্যক্তি ভোটার নিবন্ধন করার পর ভোটার আইডি কার্ড পেলে তা যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

    স্মার্ট আইডি কার্ডের মেয়াদ কতদিন

    ভোটার আইডি কার্ডের মতো স্মার্ট এনআইডি কার্ডেরও কোনো মেয়াদ নেই। নির্বাচন কমিশন থেকে স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হলে, ব্যক্তি সেটি তার মৃত্যু পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। পাসপোর্ট এর মতো স্মার্ট এনআইডি কার্ড রিনিউ করতে হয়না।

    স্মার্ট কার্ড দেশের এক কোটির বেশি ভোটারকে বিতরণ করা হয়েছে। যারা ইতোমধ্যে স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন, তাদেরকে উক্ত কার্ডের মেয়াদ নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা। কারণ, নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্যমতে Smart NID Card এর কোনো মেয়াদ নেই।

    তাই, যারা স্মার্ট আইডি কার্ড বা ভোটার আইডি কার্ডের মেয়াদ নিয়ে চিন্তায় ভুগছেন, তাদের এটি জেনে রাখা আবশ্যক যে জাতীয় পরিচয় পত্রের মেয়াদ আজীবন।

    শেষ কথা

    ভোটার আইডি কার্ড বা স্মার্ট আইডি কার্ডের মেয়াদ আজীবন। একজন ব্যক্তি যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন তার এনআইডি কার্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া, এনআইডি কার্ড রিনিউ করার প্রয়োজন পড়েনা।

  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে জেনে নিন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে জেনে নিন ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চাচ্ছেন? আইডি কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য আবেদন করার সময় কী কী ডকুমেন্ট লাগে জানতে পারবেন এই পোস্টে।

    নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর দেখা যায় আমাদের ভোটার আইডি কার্ডের নাম/জন্ম তারিখ/পিতা-মাতার নাম বা অন্য তথ্যে ভুল থাকে। ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য আবেদন করতে হয়। আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হয়।

    তো চলুন, ভোটার আইডি কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য আবেদন করার সময় কী কী ডকুমেন্ট লাগে তা বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে

    ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে জন্ম নিবন্ধন সনদ, পরীক্ষার সনদপত্র, নাগরিক সনদপত্র, পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড, বিয়ের নিকাহনামা বা তালাক নামা সহ বেশ কিছু ডকুমেন্ট লেগে থাকে। আপনি ভোটার আইডি কার্ডের কোন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন, তার উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট লাগবে।

    ভোটার আইডি কার্ডের সকল তথ্য সংশোধন করার জন্য সাধারণত যেসব ডকুমেন্ট লাগে তার একটি পুর্নাঙ্গ তালিকা নিচে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে।

    1. বিয়ের কাবিননামা
    2. পাসপোর্ট
    3. হলফ নামা
    4. বয়স প্রমাণের মেডিক্যাল টেস্ট রিপোর্ট (সিভিল সার্জন কর্তৃক)
    5. ইউটিলিটি বিলের কপি
    6. সন্তানের বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
    7. জমির দলিল পত্র (যদি থাকে)
    8. তদন্ত প্রতিবেদন
    9. ড্রাইভিং লাইসেন্স
    10. উপজেলা নির্বাচন অফিসারের প্রতিবেদন
    11. যেকোনো বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    12. এমপিও/ সার্ভিস বইয়ের কপি
    13. জন্ম নিবন্ধন
    14. চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত পারিবারিক সনদপত্র
    15. পিতা/মাতার ভোটার আইডি কার্ড
    16. সন্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র

    তবে, ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো তথ্য সংশোধন করতে উপরোক্ত তালিকার এই সবগুলো ডকুমেন্ট লাগেনা। বিভিন্ন তথ্য সংশোধন করতে ভিন্ন ডকুমেন্ট লাগবে।

    জাতীয় পরিচয়পত্রের কোন তথ্য সংশোধন করতে কী কী ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে তা নিচে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

    নিজের নাম সংশোধন করতে যা যা লাগে

    ভোটার আইডি কার্ডে যদি আপনার নিজের নামে ভুল থাকে, তাহলে সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের আবেদন করার সময় নিম্নোক্ত ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার সময় ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে।

    1. বিয়ের কাবিননামা
    2. তদন্ত প্রতিবেদন
    3. যেকোনো বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    4. পাসপোর্ট
    5. সন্তানের বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    6. ড্রাইভিং লাইসেন্স
    7. উপজেলা নির্বাচন অফিসারের প্রতিবেদন
    8. এমপিও/ সার্ভিস বইয়ের কপি
    9. জন্ম নিবন্ধন
    10. হলফ নামা

    তবে, অনেক সময় এই তালিকায় উল্লেখ করে দেয়া সবগুলো ডকুমেন্ট লাগবেনা। উপরোক্ত তালিকায় উল্লিখিত ডকুমেন্টগুলো থেকে কিছু ডকুমেন্ট প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লেগে থাকে।

    পিতা/মাতার নাম সংশোধন করতে যা যা লাগে

    পিতা/মাতার নাম বা নামের বানান যদি ভুল থাকে, তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তালিকায় উল্লেখ করে দেয়া ডকুমেন্টগুলো লাগবে। তবে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কিছু ডকুমেন্ট লাগবে। এখানে উল্লেখ করে দেয়া সবগুলো ডকুমেন্ট লাগবেনা।

    1. জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র
    2. ড্রাইভিং লাইসেন্স
    3. ভাই-বোনের ভোটার আইডি কার্ড
    4. ভাই-বোনের বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    5. যেকোনো বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    6. এমপিও/ সার্ভিস বইয়ের কপি
    7. বিয়ের কাবিন নামা (যদি থাকে)
    8. পিতা/মাতার ভোটার আইডি কার্ড
    9. পাসপোর্ট

    স্বামী/স্ত্রীর নাম সংশোধন করতে যা যা লাগে

    নতুন বিয়ে হলে বা ডিভোর্স হলে ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে হয়। স্বামী/স্ত্রীর নাম ভোটার আইডি কার্ডে যুক্ত করতে বা ভোটার আইডি কার্ড থেকে বাদ দিতে চাইলে আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের আবেদন করার সময় নিম্নোক্ত ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

    1. সন্তানের ভোটার আইডি কার্ড (যদি থাকে)
    2. সন্তানদের বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র (যদি থাকে)
    3. বিয়ের কাবিননামা বা তালাকনামা
    4. অথবা অন্যান্য প্রমাণপত্র

    জন্ম তারিখ সংশোধন করতে যা যা লাগে

    জন্ম তারিখ যদি ভুল থাকে, তাহলে চাকরি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে থাকে। এজন্য, ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে আবেদন করতে হয়। সংশোধন আবেদন করার সময় যথাযথ ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হয়। বয়স সংশোধনের জন্য নিম্নোক্ত তালিকায় উল্লেখ করে দেয়া ডকুমেন্টগুলো লাগবে।

    1. এমপিও/ সার্ভিস বইয়ের কপি
    2. চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত পারিবারিক সনদপত্র
    3. জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র
    4. বয়স প্রমাণের মেডিক্যাল টেস্ট রিপোর্ট (সিভিল সার্জন কর্তৃক)
    5. যেকোনো বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র
    6. ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে)
    7. পাসপোর্ট (যদি থাকে)

    ঠিকানা সংশোধন করতে কি কি লাগে

    ভোটার আইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করতে হয়। আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত তালিকায় উল্লেখ করে দেয়া ডকুমেন্টগুলোর ফটোকপি জমা দিতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে ডকুমেন্টগুলোর স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে।

    1. ইউটিলিটি বিলের কপি
    2. পাসপোর্ট (যদি থাকে)
    3. ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র
    4. জমির দলিল পত্র (যদি থাকে)
    5. জন্ম নিবন্ধন সনদ
    6. অন্যান্য ডকুমেন্ট

    ভোটার আইডি কার্ডে যেকোনো তথ্য ভুল থাকলে সংশোধন আবেদন করার মাধ্যমে উক্ত তথ্য সঠিক করে নেয়া যায়। তাই, ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য অবশ্যই সংশোধন আবেদন করুন।

    জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে তা এই পোস্টে বিস্তারিত উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। আপনি কোন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে চাচ্ছেন, তা সংশোধন করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এখানে জানতে পারবেন।

  • ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি এবং আইডি কার্ড পাওয়ার নিয়ম ২০২৬

    ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি এবং আইডি কার্ড পাওয়ার নিয়ম ২০২৬

    ভোটার স্লিপ হারিয়ে ফেলেছেন? ফরম নাম্বারও মনে নেই? কিভাবে আইডি কার্ড পাবেন জানেন না? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্যই।

    ভোটার নিবন্ধন করার সময় একটি ভোটার স্লিপ পাওয়া যায়। উক্ত স্লিপে একটি ফরম নাম্বার দেয়া থাকে। ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়ে গেলে নিবন্ধন করার সময় দেয়া নাম্বারে এসএমএস করে এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু, যারা এসএমএস পাননি, তারা উক্ত স্লিপে থাকা ফরম নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন।

    তবে, যারা ভোটার স্লিপ হারিয়ে ফেলেছেন তারা কিভাবে এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করবেন এবং ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করবেন? এই বিষয়টি নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে।

    ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি

    ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে স্লিপে থাকা নাম্বার মনে থাকলে কিংবা এনআইডি কার্ডের নাম্বার এসএমএস এর মাধ্যমে পেয়ে থাকলে আমরা সহজেই অনলাইন থেকে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবো। কিন্তু, আপনার যদি এনআইডি কার্ডের নাম্বার না পেয়ে থাকেন কিংবা ফরম নাম্বারও মনে না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

    ভোটার নিবন্ধন করার পর যে ভোটার স্লিপ দেয়া হয়, উক্ত স্লিপে থাকা ফরম নাম্বারটি যদি আপনার মনে থাকে, তাহলে services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করে সহজেই এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

    তবে, আপনার যদি ফরম নাম্বারটিও মনে না থাকে, সেক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন অফিসে উপস্থিত হয়ে বিস্তারিত তথ্য জানালে তারা আপনার এনআইডি নাম্বার বা ফরম নাম্বার দিয়ে দিবে।

    এক্ষেত্রে, তারা আপনার থেকে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার জানতে চাইতে পারে। যেহেতু এনআইডি কার্ডের নাম্বার পাননি, তাই আপনার পুরো নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা এবং জন্ম তারিখ প্রদান করবেন। তাহলে, তারা আপনার দেয়া তথ্য যাচাই করে এরপর এনআইডি কার্ডের নাম্বার কিংবা ভোটার স্লিপ নাম্বার জানিয়ে দিবে।

    অতঃপর, আপনি উক্ত নাম্বার দিয়ে অনলাইনে এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

    এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করার নিয়ম

    এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করার জন্য services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করে রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন। এরপর, NIDFN লিখে স্পেস না দিয়ে ফরম নাম্বার লিখুন। অতঃপর, দিন-মাস-বছর এভাবে জন্ম তারিখ লিখুন। ক্যাপচা কোডটি লিখুন এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

    এই পদ্ধতিতে এনআইডি অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করতে পারবেন। ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে ফরম নাম্বার সংগ্রহ করার জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করুন। অথবা, অপেক্ষা করুন এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার পাওয়ার জন্য।

    এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলেও ফরম নাম্বার জেনে নিতে পারবেন এবং এনআইডি একাউন্ট নিবন্ধন করে আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

    শেষ কথা

    ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি এবং ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেলে কিভাবে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে হয় এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে। যারা স্লিপ হারিয়ে ফেলেছেন এবং ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার এসএমএস এর মাধ্যমে পাননি, তারা পোস্টটি শেষ অব্দি পড়লে সমাধান জানতে পারবেন।

  • অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায় বিস্তারিত ২০২৬

    অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায় বিস্তারিত ২০২৬

    ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা চেক করতে চাচ্ছেন? অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার মাধ্যমে সর্বশেষ আপডেট জানতে পারবেন।

    নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করার পর ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। যারা এসএমএস পেয়েছে, তারা এনআইডি কার্ডের নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবে। কিন্তু যারা এসএমএস পায়নি, তাদেরকে ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে হবে।

    ভোটার আইডি কার্ড হয়েছে কিনা চেক করার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর, এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করে সহজেই আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করা যাবে।

    ভোটার আইডি কার্ড চেক করার বিস্তারিত পদ্ধতি এই পোস্টে শেয়ার করা হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

    ভোটার আইডি কার্ড চেক

    ভোটার আইডি কার্ড চেক করার জন্য services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন। প্রথম ঘরে NIDFN লিখুন এবং ভোটার স্লিপ নাম্বার লিখুন। জন্ম তারিখ লিখে ক্যাপচা কোডটি পূরণ করুন এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। পপআপ আসলে বুঝতে হবে আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে।

    ভোটার আইডি চেক

    এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা জানতে পারবেন। যদি আইডি কার্ড তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে পপআপ আসলে বহাল বাটনে ক্লিক করে এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার করার মাধ্যমে আপনার এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

    এনআইডি কার্ড চেক করার পদ্ধতি নিচে আরও বিস্তারিত ধাপে ধাপে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

    • ভিজিট করুন services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইট
    • রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন
    • প্রথম ঘরে NIDFN লিখে স্পেস না দিয়ে ফরম নাম্বারটি লিখুন
    • DD-MM-YYYY ফরম্যাটে জন্ম তারিখ লিখুন
    • ক্যাপচা কোডটি পূরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন
    • পপআপ আসলে বুঝতে হবে আইডি কার্ড অনলাইনে এসেছে

    এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনার NID Card Online Check করতে পারবেন এবং আইডি কার্ড অনলাইন করা হয়েছে কিনা জানতে পারবেন। পপআপ না এসে কোনো ইরর আসলে বুঝতে হবে আপনার আইডি কার্ড এখনো অনলাইনে আসেনি।

    NID Card Online Check

    Voter ID Card Check করার পদ্ধতি নিচে ছবিসহ আরও বিস্তারিত ধাপে ধাপে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

    ধাপ ১ – নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট ভিজিট

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd ভিজিট করুন। এটি NID Wing এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। অতঃপর, রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন।

    এনআইডি একাউন্ট রেজিস্টার

    ধাপ ২ – অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার ফরম পূরণ

    নতুন পেজে নিয়ে আসা হলে নিচের মতো একটি ফরম পাবেন। এখানে, প্রথম ঘরে NIDFN লিখুন এবং আপনার ভোটার স্লিপ নাম্বারটি লিখুন। অতঃপর, DD-MM-YYYY ফরম্যাটে জন্ম তারিখ লিখুন। ছবিতে দেখানো ক্যাপচা কোডটি ফাঁকা ঘরে লিখুন।

    [বি:দ্র: আমরা এখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ব্যবহার করছিনা। কারণ, যারা এসএমএস পায়নি, তারা এনআইডি নাম্বার জানেনা। যারা এসএমএস পেয়েছে, তারা এনআইডি নাম্বার ব্যবহার করতে পারবে। সেক্ষেত্রে, NIDFN লিখতে হবেনা।]

    NID Card Online Check

    ধাপ ৩ – ভোটার আইডি কার্ড চেক

    সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। যদি পপআপ আসে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে এসেছে। বহাল বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

    NID Card Check

    উপরোক্ত এই ধাপগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা জানতে পারবেন। তবে, পপআপ না এসে যদি অন্য কোনো ইরর আসে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এখনো অনলাইনে আসেনি।

    সেক্ষেত্রে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে আইডি কার্ড অনলাইনে আসার জন্য। তবে, সমস্যা দেখা দিলে আপনার দেয়া তথ্যগুলো চেক করে আবারও সাবমিট করুন। কারণ, ভুল তথ্য সাবমিট করার কারণেও ইরর এসে থাকে।

    সারকথা

    ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন চেক করার মাধ্যমে আইডি কার্ডের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে পারবেন। নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে আসতে এক থেকে তিন মাস সময় লেগে থাকে। এই সময়ের মাঝে আইডি কার্ড চেক করে সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে পারবেন।

    বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর

    ভোটার নিবন্ধন করার কতদিন পর এনআইডি কার্ড পাওয়া যায়?

    নতুন ভোটার নিবন্ধন করার এক থেকে তিন মাস সময়ের মাঝে আইডি কার্ড অনলাইনে এসে যায়। আইডি কার্ড তৈরি হলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। যারা এসএমএস পায়নি, তারা ফরম নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন।

    ভোটার আইডি কার্ড চেক করার পর কি করবো?

    ভোটার আইডি কার্ড চেক করে যদি দেখেন আপনার আইডি কার্ড অনলাইনে এসেছে, তাহলে বহাল বাটনে ক্লিক করে ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার এবং ফেস ভেরিফিকেশন করে আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।